Fresh Shutki

Sale!

শুকনা পুঁটি শুঁটকি বড় – Chepa Shutki

850৳ 1,600৳ 

শুকনা পুঁটি শুঁটকি বড়

আমাদের শুঁটকি সম্পূর্ণ নির্ভেজাল, অর্গানিক পদ্ধতি এবং কেমিক্যাল মুক্ত ও সম্পূর্ণ ধুলাবালি মুক্ত।
অর্ডার করলেই পৌছে যাবে আপনার রান্নাঘরে। তাই এখনই অর্ডার করুন।

 

ফোনে অর্ডার করতে কল করুন

শুকনা পুঁটি শুঁটকি

শুকনা পুঁটি শুঁটকি তৈরির জন্য সর্বতকৃষ্ট মানের জাঁত ও মাংসল পুটি মাছ ব্যবহৃত হয়। যার জন্য এর স্বাদ, গন্ধ অন্য চ্যাঁপার চেয়ে উৎকৃষ্ট ও অনেক সুস্বাদু।

শুঁটকি মাছ

শুকিয়ে সংরক্ষণ করা আহারযোগ্য মাছকে শুঁটকি মাছ (Dried fish) বলে। স্মরণাতীতকাল থেকে আমাদের দেশে মাছ সংরক্ষণের জন্য শুঁটকি তৈরি হয়ে আসছে। অনেকে এর তীব্র কটু গন্ধ সহ্য করতে না পারলেও এটি অনেক বাঙালির খাদ্যতালিকায় অন্যতম উপাদেয় হিসেবে বিবেচিত। সাধারণত রূপচাঁদা, চ্যাপা, লইট্টা, ছোট চিংড়ি, পুঁটি, কাঁচকি ইত্যাদি মাছ রোদে শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়ে থাকে।

মাছ সংরক্ষণ করে না রাখলে তাজা মাছ সহজেই পচে যায়। মাছ সংরক্ষণের এক প্রাচীন পদ্ধতি হলো মাছের শরীর থেকে পানি অপসারণ করা অর্থাৎ শুকানো। কারণ পানির কারণেই বিভিন্ন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুজীব বেঁচে থাকে এবং মাছকে পচতে সহায়তা করে। সাধারণত শুকানোর কাজটা করা হয় বাতাস, রোদ, ধোঁয়া ইত্যাদির সাহায্যে।

মাছের আকার ও প্রজাতির নিরিখে মাছ শুকাতে দুই থেকে আট দিন সময় লাগে। বাছাই করা মাছকে মাদুরের ওপর ছড়িয়ে বা তাকে অথবা রশিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়। শুকনা মাছের আয়ুষ্কাল কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। জেলে বা তার পরিবারের সদস্যরা সাধারণত এ কাজ করে থাকে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৭.৩ মিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে সামুদ্রিক মাছ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। খাদ্য থেকে প্রাপ্ত প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মৎস্য ও মৎস্যজাত খাদ্য থেকে। দেশের মানুষের বার্ষিক জনপ্রতি মাছের চাহিদা ২০.৪৪ কেজি। চাহিদার বিপরীতে বার্ষিক জনপ্রতি খাদ্য হিসেবে মাছ গ্রহণ ১৮.৯৪ কেজি অর্থাৎ ১.৫০ কেজি ঘাটতি থাকে। এই গ্রহণ করা মাছের প্রায় ৫ শতাংশ আসে শুঁটকি থেকে।

বছরে প্রায় ৫.৪৬ লাখ মেট্রিক টন মৎস্য আহরিত হয় সমুদ্র থেকে, যার ২০ শতাংশ শুঁটকি হিসেবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমাদের দেশের শুঁটকি মাছ রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির শুঁটকি মাছ রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, হংকং, ব্রিটেন, আমেরিকা, চীন, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে। বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এ দেশীয় শুঁটকি মাছের রপ্তানি বৃদ্ধির হার আশা-জাগানিয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হলে শুধু শুঁটকি মাছ বিদেশে রপ্তানি করেই আমাদের দেশ বার্ষিক ৪০০ কোটি টাকার মতো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশে ৮-১০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ থেকে বাণিজ্যিকভাবে শুঁটকি তৈরি করা হয়। এক কেজি শুঁটকি মাছ তৈরিতে প্রজাতিভেদে প্রায় তিন থেকে পাঁচ কেজি কাঁচা মাছ প্রয়োজন। বাংলাদেশে মূলত শীতকালে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাসে শুঁটকি মাছ প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

কেনো আমাদের শুকনা পুঁটি শুঁটকি সেরা?

১। হাওড় এলাকা থেকে সংগৃহীত দেশি পুঁটি মাছ সংগ্রহ করে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রস্তুতকৃত।
২। বিশেষ ভাবে গাঁজন প্রক্রিয়ায় এই শুঁটকি প্রস্তুত করা হয়।
৩। উন্নতমানের প্যাকেজিং এর জন্য নষ্ট হওয়ার ভয় কম থাকে।

FAQ

প্রশ্নঃ কিভাবে আমি আপনাদের শুঁটকি সহজে অর্ডার করতে পাড়ি?
উত্তরঃ ধন্যবাদ, আপনি আমাদে Fresh Shutki ওয়েবসাইটে গিয়ে সরাসরি অর্ডার করতে পারেন বা আমাদের Fresh Shutki ফেইসবুক পেইজে ম্যাসেজ করতে পারেন অথবা কল/হোয়াটস্যাপ যোগাযোগ করতে পারেন +৮৮০ ১৮২৩৪১৫১৭৬ এই নম্বরে।

প্রশ্নঃ কিভাবে এবং কতদিন বাসায় শুঁটকি সংরক্ষণ করে রাখা যাবে?
উত্তরঃ শুঁটকি ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করবেন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে রাখবেন এবং রান্নার আগে নরমাল পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে নিন। গরম পানিতে ধোয়ার দরকার নেই। ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে না রাখলে এ শুঁটকি মাছ ১৫ দিন ভাল থাকবে।

ওজন

,

Shopping Cart
Scroll to Top